প্রথমপাতা  

সাম্প্রতিক সংবাদ 

 স্বদেশ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ কমিউনিটি

লাইফ স্টাইল

এক্সক্লুসিভ

বিনোদন

স্বাস্থ্য

বর্তমানের কথামালা

 শিল্প-সাহিত্য

 প্রবাসপঞ্জী 

আর্কাইভ

যোগাযোগ

@

@

@

@

@

@

ভীত নই তবে শঙ্কিত


প্রফেসর আবদুল মান্নান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার ক্যাম্পাসে যাই না অনেক বছর । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকা কালে ঘন ঘন ডাক পড়তো পরীক্ষা বা অন্যান্য কাজে । যাওয়া খুব সহজ ছিল না । বিমানে যেতে হত ইশ্বরদী, তারপর সেখান হতে বাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দুfঘন্টার পথ । বাস নামিয়ে দিত কাজলা গেটে । সেখান হতে জুবেরী হাউসের অতিথি ভবনে । মতিহার সবুজ চত্বর পেরিয়ে জুবেরী ভবনে যেতে হাঁটা পথে পাঁচ মিনিট । পাঁচ টাকার রিকশায় যেতে গেলে সময় একটু বেশী লাগে কারণ একটু ঘুর পথে যেতে হয় । জুবেরী ভবন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ডঃ ইৎরাত হোসেন জুবেরীর নামে নামকরণ করা হয়েছিল । শুনেছি তিনি দেশ ভাগের পর ওপার বাংলা হতে এসেছিলেন । ১৯৫৪ সনে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয় তখন উত্তর বঙ্গের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় । উচ্চ শিক্ষার এই অসামান্য বিদ্যাপিঠের যাত্রা শুরু হয়েছিল অষ্টাদশ শতকের একটি ডাচ নীল কুঠিতে । পদ্মার পাড়ে অবস্থিত কুঠিটি এখনো আছে কী না তা জানি না । বাংলাদেশে যে কeটি বিশ্ববিদ্যালয় মনোরম পরিবেশের জন্য পরিচিত তার মধ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম । একসময় রাজশাহীতে বিমান বন্দর চালু হলো । তখন রাজশাহী যাতায়াতকারীদের সুবিধা হলো । যমুনা নদীর উপর সেতু হওয়ার পর সেই বিমানবন্দর হয়ে গেল অনেকটা পরিত্যক্ত । শুনেছি এখন সপ্তাহে একটি বেসরকারি বিমান সংস্থার একটি ফ্লাইট যায় । বাংলাদেশের অনেক প্রতিথযশা পন্ডিত শিক্ষক এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন । সাংষ্কৃতিক কর্মকান্ডে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গৌরবোজ্জল অতীত ছিল । ১৯৬৯ সনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ সামছুজ্জোহা প্রক্টর হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে শহীদ হয়ে ইতিহাসে তাঁর নামটি খোদাই করে রেখেছেন । বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিরুদ্ধে ছাত্রদের আন্দোলন তখন অভূতপূর্ব গণ আন্দোলনে রূপ নিয়েছে । ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেনানিবাসে প্রহরীদের গুলিতে নিহত হলেন এই মামলায় অভিযুক্ত আসামী সার্জেন্ট জহিরুল হক । শহীদ সার্জেন্ট জহিরুল হকের হত্যা ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনের বাঁকই পরিবর্তন করে দিল । সারা দেশে কারফিউ জারি করা হলো । কারফিউ অমান্য করে ছাত্র-জনতা মিছিল করে । ইপিআর-পুলিশ গুলি ছুড়ে । লুটিয়ে পরে রাস্তায় ছাত্র জনতার লাশ । আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ হয় । ১৮ তারিখ সন্ধ্যায় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাও কারফিউ ভেঙ্গে মিছিল বের করলে সেই মিছিল রুখতে ডাকা হয় সেনা বাহিনীকে । ছুটে আসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ডঃ জোহা । সশস্ত্র সেনা বাহিনী আর নিরস্ত্র ছাত্রদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন eযদি গুলি করতে হয় আমাকে আগে করোf । কোন দ্বিধা না করে এক সেনা সদস্য তার রাইফেলের ট্রিগার টিপলো । লুঠিয়ে পড়লেন ডঃ জোহা মতিহারের সবুজ চত্তরে । সবুজ চত্তর লাল হলো । আবার ইতিহাসের গতি পরিবর্তন । ২২ তারিখ আইউব খান আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করলেন আর ২৫ ফেব্রুয়ারী তিনি তার পদ হতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ।
১৯৬৯ সনের পর মতিহার চত্তর ছাত্র শিক্ষকের রক্তে লাল হয়েছে অসংখ্য বার । সর্বশেষ গত ১৫ই নভেম্বর মতিহারের অনতি দূরে দিন দুপুরে ঘাতকদের হাতে নৃশংস ভাবে খুন হলেন সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ডঃ এ কে এম শফিউল ইসলাম । গত ৩৫ বছরে তিনি হলেন ঘাতকদের হাতে নিহত ৩৬তম শিকার । এই ৩৬ জনের মধ্যে দুfজন শিক্ষকও ছিলেন । ডঃ ইসলামকে নিয়ে তিনজন হলো । ২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর ফজরের নামাজ শেষে প্রাতঃভ্রমণে বের হলে নিজ বাসভবনের কাছাকাছি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ইউনুস । পরে গ্রেফতার হওয়া জেএমবিfর সদস্যরা আদালতে জবানবন্দি দিয়ে এই হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে । এর আগে তিনি ১৯৮৮ ও ১৯৯৮ সালে দুই দফায় ক্যাম্পাসে শিবিরের ঘাতকদের দ্বারা হত্যা প্রচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন । এই হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অপরাধে রাজশাহীর আদালত দুই জঙ্গিকে ফাঁসির অদেশ দেন । ২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াত পন্থি শিক্ষক মিয়া মোঃ মহিউদ্দিন এবং শিবিরের তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহীর নেতৃত্বে ও পরিকল্পনায় ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ডঃ এস তাহের আহমেদকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় । এই হত্যায় শিক্ষক মহিউদ্দিন সহ চার খুনির ফাঁসির আদেশ হলেও শিবির নেতা সালেহীকে পুলিশের দুর্বল চার্জশীটের কারণে খালাস দেয়া হয় । এই দুটি ঘটনা যখন ঘটে তখন চার দলীয় জোট ক্ষমতায় । অথচ বিএনপিfর স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ডঃ শফিউল ইসলামের হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার বলেন eদিন দুপুরে একজন শিক্ষক খুন হলেন, সরকার নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ । অবিলম্বে এই সরকারের পদত্যাগ করা উচিৎf । বয়স হলে মানুষ ডিমেনশিয়া রোগে ভুগতে পারে । স্মৃতি ভ্রষ্ট আর কি । সম্ভবত নজরুল ইসলাম খান সাহেবও এই রোগ দ্বারা আক্রান্ত্র । ২০০১ সালে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক শনৎ কুমার সাহাকে শিবির কর্মীরা হাত পা বেঁধে হত্যার চেষ্টা চালায় । ১৯৯৩ সালে ছাত্রদলের কয়েকশত নেতা কর্মী শিবির ক্যাডারদের হাতে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় । তখনও বেগম জিয়া ক্ষমতায় । তাঁর নিজ দলের ছেলেদের তিনি দেখতে যান নি । ছুঠে গিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তৎকালিন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা । এই সব কথা কী নজরুল সাহেবদের মনে আছে ? সমস্যা হচ্ছে খান সাহেবরা সব কিছুতেই রাজনীতি খুঁজেন ।
রাজশাহীর সহকর্মীদের কাছে খোঁজ নিয়ে জেনেছি শফিউল ইসলাম একজন অত্যন্ত ভদ্র সাদামাটা মানবতাবাদি মানুষ ছিলেন যিনি নিজে বাউল গানের অসম্ভব ভক্ত ছিলেন । তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ছিল অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল । সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে তিনি একজন জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন । নিজ বাসায় নিয়মিত তিনি বাউল গানের আসর বসাতেন এবং সেখানে লালন হতে শুরু করে অন্যান্য বাউলদের গান চর্চা হতো । বেশ কিছুদিন ধরে দেখা গেছে কিছু ধর্মীয় উন্মাদ বাউলদের তাড়া করে জোর পূর্বক তাদের চুল দাড়ি কেটে দিচ্ছে । এই উন্মাদদের মতে বাউলরা বেদায়াত করছে এবং জোর করে হলেও তাদের ইসলামের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে । লালনকে যারা সহ্য করতে পারে না তারা মানসিক ভাবে বিকলাঙ্গ ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না । ডঃ ইসলাম খুন হওয়ার আগে তার কাছে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকী দিয়েছিল উগ্রপন্থি জঙ্গীরা । তিনি নিজে বিশ্বাস করতেন তাকে জামায়াত-শিবির টার্গেট করেছে । তাকে হত্যা করার পাঁচ ঘন্টার মাথায় eআনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২f নামের একটি সংগঠন ফেসবুক একাউন্টে স্বীকার করেছে তারাই ডঃ শফিউল ইসলামকে হত্যা করেছে । তারা ফেসবুক ষ্টেটাসে লিখেছে eআমাদের মুজাহিদীনরা আজকে রাজশাহীতে এক মুরতাদকে কতল করেছেন, যে তার ডিপার্টমেন্টে ও ক্লাসে বোরকা পরা নিষিদ্ধ করেছিল । আল্লাহর ইচ্ছায়, আল্লাহর শক্তিতে, আল্লাহর অনুমতিতে ওই মুরতাদকে কতল করা হয়েছেf। ফেসবুকে মোট তিনটি ছবি দিয়ে তার উপর লাল ক্রস চিহ্ন দিয়েছে । এই ছবি গুলি হচ্ছে ডঃ ইসলাম, ব্লগার রাজীব হায়দার ও আশরাফুল আলমের । তাদের নিচে লেখা হয়েছে eখতমf । ডঃ ইসলামের ছবির নীচে লেখা হয়েছে eফাইল ক্লোজডf । আরো আছে ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন ও রাকিব মামুনের ছবি । লেখা হয়েছে eপ্রথম প্রচেষ্টা-সমাপ্ত, দ্বিতীয় প্রচেষ্টা আসছেf । আরো বলা হয়েছে eইসলাম বিরোধী সকল নাস্তিক-মুরতাদ সাবধান।f অনুসন্ধান করে জানা গেছে eআনসার আল ইসলামe নামের একটি সংগঠন ইরাক ও সিরিয়ায় দুটি দেশেই খুবই সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন । তাদের সাথে আইএস এর সম্পর্ক আছে বলে জানা গেছে । বাংলাদেশে কথিত এই সংগঠনের সাথে তাদের কতটুকু সম্পর্ক আছে তা অনুসন্ধানের ব্যাপার । কিছুদিন আগে ভারতের বর্ধমানে জেএমবিfর এক বোমা বানানোর কারখানায় বিষ্ফোরণে দুeজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এই জঙ্গিদের সাথে রাজশাহীর জঙ্গিদের সম্পর্ক থাকা বিচিত্র নয় । রাজশাহী সহ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলিতে এমনিতে জামায়াত-জঙ্গিরা বেশ শক্তিশালী । তার একটা প্রধান কারণ হতে পারে দেশ ভাগের পর অনেক বাঙালি, আধা বাঙালি সীমান্ত পার হয়ে এই পারে বসতভিটা গেঁড়েছিল । তারা পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ হোক তা কখনো চায় নি । ঠিক একটি মনোভাব পশ্চিম বঙ্গের অনেক অবাঙালি মুসলমানদের । ভোটের রাজনীতির কারণে পশ্চিম বঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির লাই পেয়ে এখন এরা অনেক বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে । সীমান্তের এই পারে কোন একটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটিয়ে তারা সহজে সীমান্ত পারি দিয়ে ওপারে চলে যেতে পারে । পুলিশ এই পর্যন্ত ডঃ শফিউল ইসলামের হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে ত্রিশ জনের বেশী সন্দেহভাজনকে আটক করেছে । এদের প্রায় সকলেই জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত । প্রত্যক্ষদর্শিরা বলছেন কিলিং ষ্কোয়াডে ছিল মোট ছয়জন এবং তারা পূরো কাজটি বেশ পেশাদারিত্বের সাথে করেছে । সাথে সহায়তা করেছে আরো একাধিক টিম । কিন্তু আসল অপরাধীরা আটক হয়েছে কী না তা এখনো নিশ্চিত নয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার যে সকল সহকর্মী নানা কাজে আসা যাওয়া করেন তাদের অনেককেই বলতে শুনেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকলে অনেক সময় গা ছম ছম করে । মনে হয় না এটি বাংলাদেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয় । কেউ বোরকা পরবে কি না তা তার নিজস্ব ব্যাপার । কিন্তু চেহারা আবৃত করার কথা পবিত্র ধর্ম গ্রন্থের কোথাও বলা নেই । আছে পুরুষ হোক আর মহিলা সকলকে শালীনতা বজায় রেখে সমাজে চলা ফেরা করার কথা । সব ধর্মেই তা বলে । সম্পূর্ণ চেহারা ঢেকে ছবি তুললে কোন মহিলা হজে যেতে পারেন না । চেহারা ঢেকে পরীক্ষার হলে ঢুকলে কে পরীক্ষা দিচ্ছে তা বুঝা অসম্ভব । নিজ গৃহে বাইরে সারা দিন বোরকা পরে থাকলে কেউ বাধা দেয়ার কথা না । মিশরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ চেহারা ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করা হয়েছে । ডঃ শফিউল ইসলামকে হত্যা করার পর আমাকে আমার অনেক সুহৃদ ফোন করে বলেছেন আমি যেন সাবধানে থাকি । তাদের বলেছি এই সব ঘটনায় আমি ভীত নই তবে শঙ্কিত কারণ ডঃ ইসলামের পর কে? বেশ কয়েক বছর আগে আমার ছোট ভাইকে ছাত্র শিবির প্রায় জবাই করে দিচ্ছিল । চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থাকা কালে আমাকে হত্যা করার দুfবার চেষ্টা করা হয়েছে । সব সময় আমি বিশ্বাস করি জীবন মৃত্যু সৃষ্টিকর্তার হাতে । সম্প্রতি জাতীয় দৈনিকে আমার একটি লেখা পড়ে একজন আমাকে প্রচ্ছন্ন ভাবে হুমকী দিয়েছে । সে দাবি করেছে সে আমার সাবেক ছাত্র এবং চট্টগ্রাম বাস করে । এই সব জঙ্গিরা এত বেপরোয়া হওয়ার প্রধান কারণ তাদের বেশীরভাগই ধরা ছোঁওয়ার বাইরে থেকে যায় । চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়েতো একাধিক শিক্ষক আছেন যারা একসময় তাদের শিক্ষকদের হত্যার উদ্দেশ্যে মারতে চড়াও হয়েছিল । এমনটা চলতে থাকলে ডঃ শফিউল ইসলাম এই ধর্মান্ধ খবিশদের শেষ শিকার নয় । আর এই সব উন্মাদদের মাতৃ সংগঠন হচ্ছে জামায়াত-শিবির । যতক্ষণ এই সংগঠন দুfটিকে নিষিদ্ধ করা না হচ্ছে ততক্ষণ এই সব ভয়ঙ্কর কর্মকান্ডের অবসান হবে না ।

লেখক: সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । নভেম্বর ১৮, ২০১৪

@

@

WARNING: Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action. 

@

[প্রথমপাতা]

@

@

@

লেখকের আগের লেখাঃ

[......লেখক আর্কাইভ]