প্রথমপাতা  

সাম্প্রতিক সংবাদ 

 স্বদেশ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ কমিউনিটি

লাইফ স্টাইল

এক্সক্লুসিভ

বিনোদন

স্বাস্থ্য

বর্তমানের কথামালা

 শিল্প-সাহিত্য

 প্রবাসপঞ্জী 

আর্কাইভ

যোগাযোগ

@

@

@

@

@

@

ভারত হতে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ রপ্তানি প্রত্যাশিত নয়

@


প্রফেসর আবদুল মান্নান

বাংলাদেশ ভারতের সীমান্তের এপার ওপারের হিন্দু মুসলমান আর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা যখন নিজেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান দূর্গা পূজা, ঈদুল আযহা, লক্ষীপূজা আর প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ঠিক তখনই সীমান্তের ওপারের বর্ধমান জেলার খাগড়াগড়ে গত বৃহষ্পতিবার ঘটে গেল এক ভয়াবহ জঙ্গি কর্মকান্ড । ভাড়া করা বাড়ীর একটি কক্ষে জামায়াতুল মুজাহিদ বাংলাদেশের (জেএমবি) জন্য বোমা বানাতে গিয়ে বিষ্ফোরণ ঘটে মারা পরলো দুfজন বোমার কারিগর, সাকিল আহম্মদ (৩২) ও স্বপন মন্ডল (২২) । গুরুতর আহত হলো তৃতীয়জন আবদুল হাকিম । এই কারিগররা বাংলাদেশের জেএমবিfর হয়ে কাজ করছিল বলে তা এখন অনেকটা নিশ্চিত । পশ্চিম বঙ্গ রাজ্য সরকারের গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে সাকিল আহম্মদ ২০০৯ (মতান্তরে ২০০৭) সালে বাংলাদেশ হতে চোরা পথে ভারতে গিয়ে রাজিয়া বিবিকে বিয়ে করে সেখানে সংসার পেতেছিলেন । তবে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে এখন পর্যন্ত তাদের কাছে এই বিষ্ফোরণ বা কারা এর সাথে সংশ্লিষ্ট সে সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারত সরকার কোন তথ্য দেয় নি । ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় বলেছে তারা প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত বাংলাদেশকে দেবে । যে ভবনটিতে এই বিষ্ফোরণ ঘটেছে সেই ভবনে আবার পশ্চিম বঙ্গ ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানিয় দপ্তর রয়েছে । তৃণমূলের সাথে পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর সাথে এক ধরণের অনাকক্সিক্ষত সখ্যতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বেশ কিছুদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে । এই সখ্যতা সৃষ্টির পিছনে তৃণমূলের বিধায়ক মুনমুন সেন পাকিস্তানের প্রখ্যাত ক্রিকেটার ইমরান খানকে ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে । মুন মুন সেনের সাথে ইমরান খানের সম্পর্ক বেশ পুরানো । বর্তমানে ভারতের রাজ্যসভায় তৃণমূল হতে নির্বাচিত সদস্য আহমেদ হাসান ইমরান এক সময় ভারতের ষ্টুডেন্ট ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়ার (সিমি) শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ছিলেন । সিমি বর্তমানে ভারতে একটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত এবং ২০০২ সালে সংগঠনটিকে সে দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে । ইমরান ১৯৭১ সালের আগে সিলেট হতে ভারতে গিয়ে বসতি স্থাপন করেন । তার বাবা মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেট অঞ্চলে কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে প্রাণ হারান । অভিযোগ আছে গত ২০১৩ সালে বাংলাদেশে জামায়াত বিএনপি আন্দোলনের নামে যে ভয়াবহ সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছিল তার অর্থ যোগান দিয়েছিল তৃণমূলের ইশারায় ফটকা কারবারি eসারধাf গ্রুপ । এই ব্যাপারে দূতিয়ালি করেছেন আহমেদ হাসান ইমরান । এই অর্থ দুবাই হয়ে বাংলাদেশে এসেছে তারপর তার কিছু অংশ ভারতেও চালান হয়ছে শ্রেফ জঙ্গিবাদে অর্থায়নের জন্য । বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বলছে এই সব কাজে সহয়াতা করেছে বাংলাদেশে জামায়াত ঘরানার কিছু বড় বড় ব্যবসায়ী । তবে এই সব অভিযোগ তৃণমূল ও eসারধাf অস্বীকার করেছে । জামায়াতের কোন ভাষ্য এখনো পাওয়া যায় নি । তবে এখন পর্যন্ত যে সব আলামত পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে যে বাংলাদেশ ও ভারতে অশান্তি সৃষ্টি করার জন্য তৃণমূল-আইএসআই-সিমি-জামায়াত-জেএমবিfর মধ্যে এক অশুভ আঁতাত গড়ে উঠেছে ।
বর্ধমানে সংঘটিত আচমকা ঘটে যাওয়া এই বিষ্ফোরণে রাজ্য সরকারতো বটেই ভারতের কেন্দ্র সরকারও হকচকিয়ে গেছে কারণ পশ্চিম বঙ্গ সহ ভারতের বিভিন্ন শহরে বিগত দিনে অনেক বড় বড় জঙ্গি আক্রমণ হলেও বোমা বানানোর সময় এমন ভয়াবহ বিষ্ফোরণ ঘটনা বিরল। তবে অনেককে অবাক করেছে বিষ্ফোরণের পর পুরো ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের এক ধরণের লুকোচুরি খেলা । কেন্দ্র সরকার দিল্লি হতে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিকে (এনআইএ) ঘটনা তদন্তে পাঠাতে চাইলে প্রথমে রাজ্য সরকার বাধ সাধে এই বলে এটি রাজ্য সরকারের বিষয় সুতরাং কেন্দ্রের এখানে কোন দায় দায়িত্ব নেই । তাতে নকি ভারতের ফেডারেল পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা বিঘিœত হবে । পরে দিল্লির চাপে রাজ্য সরকার এনআইএfকে তদন্ত চালাতে অনুমতি দেয়, কিন্তু অভিযোগ আছে তারা কেন্দ্রকে এই ব্যাপরে তেমন একটা সাহায্য করছে না । আবার এরই মধ্যে রাজ্য পুলিশ আর সিআইডি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলামতও নষ্ট করে ফেলেছে । তা তারা কেন করেছে সে সম্পর্কে কোন ব্যাখ্যা নেই । এতে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে কোন কারণেই হোক তৃণমূল পুরো ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে । হয়তো তাদেও ধারণা কেঁচো খুরতে গিয়ে সাপ বের হয়ে আসতে পারে । আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে বিষ্ফোরণের পর যখন কক্ষে সাকিল আর স্বপনের দেহ ছিন্ন ভিন্ন হয়ে সারা ঘরে ছড়ানো ছিটানো তখন সাকিলের স্ত্রী রাজিয়া বিবি ও আহত আবদুল হাকিমের স্ত্রী আমিনা বিবি কক্ষের বিভিন্ন আলামত নষ্ট করতে ব্যস্ত হয়ে পরে । বিষ্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয় জনগণ বাড়ীটির দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে দুই বিবি একটি নাইন এম এম পিস্তল দিয়ে তাদের গুলি করার হুমকি দেয় । পরে গোয়েন্দা সংস্থার জেরার মুখে তারা স্বীকার করে তাদেরকে মানুষ হত্যা করার প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে । এই পর্যন্ত বৃহস্পতিবারের বিষ্ফোরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে যাদেরই আটক করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকেই মাদ্রাসার ছাত্র বা ছাত্রী ছিলো । অকুস্থল হতে পুলিশ যে সকল জিনিষ জব্দ করতে পেরেছে তার মধ্যে আছে ৫৫টি দেশী গ্রেনেড, ৪০কেজি বিষ্ফোরক, হাত ঘড়ির কয়েকটি ডায়াল, ম্যাপ, মোবাইল ফোনের সিম কার্ড, কয়েকটি পরিচয় পত্র, আল কায়েদার প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত কয়েকটি অডিও সিডি, চেচনিয়ার জঙ্গিদের সমর্থন জানিয়ে লেখা কয়েকটি লিফলেট সহ জঙ্গি কাজে ব্যবহৃত আরো বেশ কিছু উপকরণ । অবাক করার বিষয় হচ্ছে সেই কক্ষে নাইন এমএম পিস্তলের গুলি বানানোর আলামত পাওয়া গেছে । গুলি বানানো খুব সূক্ষ্ম প্রযুক্তির ব্যাপার । মোবাইল ফোনটি মৃত সাকিলের এবং কল লিস্ট অনুসন্ধান করে দেখা গেছে এই ফোনটি হতে ঢাকার একটি মোবাইলে একাধিক বার ফোন করা হয়েছে । এছাড়াও একই ফোন ব্যবহার করে দুবাই, মুম্বাই, চেন্নাই ও কাশ্মীরে ফোন করা হয়েছে । রাজিয়া বিবি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেছেন তাদের এই বিষ্ফোরক কারখানা হতে ইতোপূর্বে বিষ্ফোরকের একাধিক চালান গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে প্রেরণ করা হয়েছে । তদন্ত কর্মকর্তাদের ধারণা কিছু বিষ্ফোরক ভারতের বিভিন্ন শহরে নাশকতা কার্য চালানোর জন্য ব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনা আছে । খোদ কোলকাতা শহরই বর্ধমানের একশত কিলোমিটারের মধ্যে । দুই একটি সংবাদ পত্র বলছে জঙ্গিরা পবিত্র ঈদের দিন কোলকাতার নব নির্মিত নেতাজী সুভাষ বোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পানা করে ছিল । এই জঙ্গিরা বাংলাদেশের কিছু বিদ্যুত কেন্দ্র ধ্বংস করার নীল নক্সাও তৈরি করেছিল । ৬ই অক্টোবরের অন্দ্্র প্রদেশের জনপ্রিয় দৈনিক eডেকান হেরাল্ডf এই মর্মে সংবাদ প্রকাশ করেছে যে eজঙ্গিরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করারও পরিকল্পনা করেছিল ।f এই সংবাদে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা উদ্বিগ্ন । তবে ধৃত দুই মহিলা তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতে নানা ভাবে চেষ্টা করেই যাচ্ছে ।
জেএমবিfর মতো জঙ্গি সংগঠন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এতদিন তাদের কর্মকান্ড বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল । কিন্তু বর্ধমানের ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে তারা এখন তাদের কর্মপরিধি সম্প্রসারণ করতে সচেষ্ট হয়েছে । তদন্ত কর্মকর্তাদের তারা বলেছে বাংলাদেশে গোয়েন্দা তৎপরতার কারনে তাদের পক্ষে সে দেশে নির্বিঘেœ কাজ করা কঠিন হয়ে পরেছে । বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ আছে সীমান্তের ওপারে জেএমবি এবং জামায়াতে ইসলামের বেশ কিছু সক্রিয় সহযোগী আছে এবং এই সব সহযোগীদের মধ্যে যদি তৃণমূলের মতো রাজনৈতিক দলও অন্তর্ভূক্ত থাকে তা হলে তা যথেষ্ট চিন্তার কারণ । পশ্চিম বঙ্গের মুসলমানদের নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি নোংরা রাজনীতি করেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বেশ পুরানো । এই রাজ্যের প্রায় ২৭ ভাগ মুসলিম ভোটারকে যে কোন মূল্যে তিনি হাতে রাখতে চান । তাদেও খুশি করতে ইতোমধ্যে তিনি উর্দুকে পশ্চিম বঙ্গের দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়েছেন যদিও এই রাজ্যের অধিকাংশ মুসলমান বাংলায় কথা বলে । বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে যখন একাত্তরের ঘাতকদের বিচার চলছিল তখন পশ্চিম বঙ্গের প্রায় এক লক্ষ উর্দু ভাষী মুসলমান এই বিচার বন্ধ করার জন্য রাস্তায় মিছিল বের করে । তারা ঘাতক দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মুক্তিও দাবি করে । অন্য দিকে এই বিচারের পক্ষে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক রাজ্যের অন্যরা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় । এই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি স্বয়ং নিজে।
জামায়াত জেএমবি সহ বাংলাদেশে যে সকল জঙ্গি সংগঠন প্রকাশ্যে অথবা গোপনে তাদের কার্যকলাপ পরিচালনা করে তাদের অর্থায়ন হয় মূলত সৌদি আরব, কুয়েত, দুবাই, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য হতে । যুক্তরাজ্যে বালাদেশের অনেকগুলি বাংলা টিভি চ্যানেল তাদের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে । রমজান ও ঈদুল আযহার আগে তারা তাদের প্রায় সারা দিনের সব সময়টুকু বিভিন্ন ইসলামি সংস্থাকে ধর্মের নামে চাঁদা তোলার আবেদন করার জন্য ভাড়া দিয়ে থাকে এবং এই চাঁদার একটি বিরাট অংশ যায় জঙ্গি অর্থায়নে । এই ব্যাপারে এই সব দেশের সরকার কোন প্রকারের মাথা ঘামায় না । তাদের কোন সাংবাদিক বা রিলিফ কর্মী ইরাক বা সিরিয়ায় জঙ্গিদের হাতে নিহত হলে কয়েকদিন হৈ চৈ করে নিরাপরাধ মানুষের উপর বিমান হামলা চালায় তারপর সব চুপচাপ । মূল সমস্যার গোড়ায় কখনো তারা হাত দেয় না । মনে হয় সমস্যা জিয়ে রাখাই তাদের উদ্দেশ্য ।
বর্ধমানের বিষ্ফোরণ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে জঙ্গি সংগঠন গুলির কর্মকান্ড কোন একটি নির্দিষ্ট দেশের সীমানার মধ্যে এখন আর সীমাবদ্ধ নেই । এটি একটি সর্বজনীন সমস্যা এবং তার সমাধান সম্ভব সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় । প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক জঙ্গি বিরোধী সংস্থা স্থাপন করতে হবে এবং জঙ্গিদের সম্পর্কে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি উন্নতমানের তথ্য নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে । বর্ধমান বিস্ফোরণের তদন্ত সহায়তা করতে পারে বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থা যেহেতু এর পূর্বে তারা এই ব্যাপারে যথেষ্ট সফলতা দেখিয়েছে । এক অজ্ঞাত কারণে পশ্চিম বঙ্গের মূখ্য মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বাংলাদেশের প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গি ইতিবাচক নয় । অনেকের ধারণা তিনি বাংলাদেশকে তাঁর সতিন জ্ঞান করেন । তার বুঝা উচিত বর্তমান সরকারের স্থলে যে সরকারটি আসতে পারে তারা তার জন্য স্বস্তির কারণ নাও হতে পারে । তার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টালে উভয় দেশের জন্য মঙ্গল । বর্ধমান কান্ডই হোক এমন ধরণের শেষ কান্ড ।

লেখক: সবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় । অক্টোবর ১১, ২০১৪

@

@

WARNING: Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action. 

@

[প্রথমপাতা]

@

@

@

লেখকের আগের লেখাঃ

[......লেখক আর্কাইভ]