|
ফ্লাইট বুক করা একটি পরিবারকে সরকারি খরচে জোরপূর্বক ডিপোর্ট করা হয়েছে
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
২০২০ সালে জাপানে আসা
কুর্দি-তুর্কি এক পরিবার—যাদের মধ্যে বাবা-মা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়-পড়ুয়া
তিন সন্তান রয়েছে এবং যাদের আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর জুলাই
মাসে টোকিও অভিবাসন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন যে তারা সেপ্টেম্বরে
স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করবেন এবং সেই অনুযায়ী পুরো পরিবারের জন্য বিমানের
টিকিটও কিনেছিলেন।
কিন্তু আগস্টের
মাঝামাঝি সময়ে নিয়মিত তদারকি-ভিত্তিক চেক-ইনের জন্য হাজির হলে কর্মকর্তারা
তাদের ঘিরে ফেলেন এবং অবিলম্বে জোরপূর্বক ডিপোর্টের ঘোষণা দেন। পরিবারের
বাবা তাঁর বিমানের টিকিট ও স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের পরিকল্পনার কথা জানালেও
কর্মকর্তারা তা আমলে নেননি; বরং সেই রাতেই আটজন অভিবাসন কর্মকর্তার পাহারায়
পরিবারের পাঁচ সদস্যকেই তুরস্কে ডিপোর্ট করেন।
দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের
মামলা পরিচালনা করা অভিবাসন বিষয়ক আইনজীবী শোগো ওয়াতানাবে জানান, বিমানের
টিকিট কেনা থাকা সত্ত্বেও কাউকে জোরপূর্বক ডিপোর্ট করার ঘটনা তিনি এই প্রথম
শুনলেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, সরকারের ‘জিরো
প্ল্যান’-এর লক্ষ্য হলো অনিয়মিত অভিবাসন মর্যাদাসম্পন্ন বাসিন্দাদের
ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে জোরপূর্বক ডিপোর্টের হার দ্বিগুণ করা।
এ বিষয়ে অনলাইনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা
গেছে—কেউ কেউ একে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অর্থের অপচয় হিসেবে অভিহিত করেছেন
(যেহেতু স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগের পরিকল্পনা আগেই করা হয়েছিল), আবার অন্যদের
মতে, আগে থেকে ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলেও ডিপোর্টে কোনো সমস্যা নেই, কারণ
বাস্তবে দেশ ত্যাগ নিশ্চিত ছিল না।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|