|
সেন্দাইতে ডাকাতি ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাংলাদেশীর ১১ বছরের কারাদণ্ড
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
উত্তর-পূর্ব জাপানের মিয়াগি
প্রিফেকচারের সেন্দাই শহরের আওবা ওয়ার্ডের ওতেমাচিতে বসবাসকারী বেকার
বাংলাদেশী নাগরিক মোহাম্মাদ আল আমিন (২৭)-এর বিরুদ্ধে ডাকাতি এবং জোরপূর্বক
যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে স্থানীয় একটি আদালত।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সেন্দাই শহরের আওবা
ওয়ার্ডের একটি অ্যাপার্টমেন্টে জোরপূর্বক প্রবেশ করে বিশোর্ধ্ব এক নারীকে
আক্রমণ করেন এবং নগদ টাকা চুরি করেন।
গত ১২ তারিখে সেন্দাই জেলা
আদালতে বিচারক তাকাও ওকাওয়ার সভাপতিত্বে এই মামলার প্রথম শুনানি অনুষ্ঠিত
হয়। আসামী মূল অভিযোগগুলো স্বীকার করে নিলেও, আসামীপক্ষ আংশিক অভিযোগ
অস্বীকার করে জানান যে, "জোরপূর্বক যৌন নিপীড়নটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না
এবং তিনি তার গলায় ছুরি ধরেননি।"
অভিযোগপত্র অনুসারে, আল
আমিন গত বছর ৩০ জুন ভোররাতে ওই মহিলার বাড়িতে চুপিসারে প্রবেশ করে বাথটাবে
লুকিয়ে থাকেন, পরে মহিলাটি বাড়ি ফিরলে তার বাথরুমে তাকে অতর্কিতে আক্রমণ
করেন এবং গলায় ছুরি ধরে যৌন নির্যাতন চালান ও তার ব্যাগ থেকে ৪৫,০০০ ইয়েন
চুরি করেন।
আল আমিন আদালতকে জানান তিনি মহিলাটির আসার
অপেক্ষায় ২ ঘন্টা লুকিয়ে ছিলেন।
তাদের প্রারম্ভিক বক্তব্যে
রাষ্ট্রপক্ষ ব্যাখ্যা করে, আসামী যে কনভেনিয়েন্স স্টোরে খণ্ডকালীন কাজ
করতেন, সেখানে আসা এক মহিলার প্রতি তার অনুভূতি জন্মায়।
তারা
অভিযোগ করেন, ঘটনার আগের দিন আসামী মহিলাটিকে অনুসরণ করে, তার
অ্যাপার্টমেন্টটি শনাক্ত করেন, ইউটিউবে তালাবন্ধ দরজা খোলার উপায় খুঁজে
বের করেন এবং একটি হেয়ারপিন ব্যবহার করে মহিলাটির বাড়িতে প্রবেশ করেন।
তার প্রথম শুনানির সময়
সেন্দাই জেলা আদালত আসামী মূল অভিযোগগুলো স্বীকার করে নেওয়ায় তাকে ১১
বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। ইয়োমিউরি শিম্বুন।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|