|
২০২৫ সালে জাপানের বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া বিদেশিদের শীর্ষ ১০টি
দেশের নাম ঘোষণাঃ বাংলাদেশের অবস্থান ৬ষ্ঠ
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপানের অভিবাসন পরিষেবা
সংস্থার এক ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে জাপানের বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে
দেওয়া বিদেশিদের সংখ্যা ৮,৫৪৭ হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা আগের বছরের
তুলনায় ৮.৫% বেশি। দেশ/অঞ্চল অনুসারে, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন
শীর্ষ তিনটি স্থান দখল করেছে।
২০২১ সাল থেকে বিমানবন্দর
থেকে ফিরিয়ে দেওয়া বিদেশিদের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে, যার
আংশিক কারণ হলো কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে গৃহীত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ
ব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে শিথিল করার ফলে প্রবেশকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি । ২০২১
সালে এই সংখ্যা ছিল ১৫৬, ২০২২ সালে ১,৫৯২, ২০২৩ সালে ৬,১৩৩ এবং ২০২৪ সালে
৭,৮৭৯।
এছাড়াও, দেশ/অঞ্চল অনুসারে ২০২৫ সালে প্রবেশে
অস্বীকৃত বিদেশিদের সংখ্যা ছিলো, থাইল্যান্ডের সর্বাধিক ২,৩৪৩ জনকে
প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি, তারপরে ইন্দোনেশিয়া (৮৮৮), চীন (৭০২),
পাকিস্তান (৫৪১), ঘানা (৪৮৮), বাংলাদেশ (৪৫১), ভারত (৪০৭), দক্ষিণ কোরিয়া
(৩২৮), তুরস্ক (২৮৮), ক্যামেরুন (২২৫), এবং অন্যান্য (১,৮৮৫)।
প্রবেশে অনুমতি দিতে
অস্বীকৃতির কারণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘প্রবেশের উদ্দেশ্য
সন্দেহজনক’—যেমন, যেখানে প্রবেশের উদ্দেশ্য ছিল অবৈধ কাজ কিন্তু আবেদনকারী
মিথ্যাভাবে ‘পর্যটনের’ জন্য প্রবেশের দাবি করেছেন—সেটি মোট সংখ্যার ৮৪.৮%
(৭,২৪৬ জন) ছিল। এর পরেই ছিল ‘প্রবেশ প্রত্যাখ্যান হওয়ার তালিকাভুক্ত’কারণ
অর্থাৎ যে সব কারণে প্রবেশ প্রত্যাখ্যান হতে পারে তার কোনো একটিতে পড়ে
যাওয়া (৫.৯%, ৫০৫ জন) এবং ‘যেখানে আবেদনকারীর কাছে বৈধ ভিসা ইত্যাদি ছিল
না’ (১.৩%, ১১১ জন)।
নারিতা বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশে অস্বীকৃত লোকের
সংখ্যা ছিল সর্বাধিক, ৪,৬২৮ জন। এর পরে দ্বিতীয় স্থানে ছিল হানেদা
বিমানবন্দর (১,৩৮৮), কানসাই বিমানবন্দর (১,২৯২), চুবু বিমানবন্দর (৭১০),
ফুকুওকা বিমানবন্দর (১৮৬), এবং অন্যান্য বিমানবন্দর (৩৪২)।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|