|
জাপানের আরও কঠিন স্থায়ী বসবাসের নিয়মকানুন মানবাধিকারের চেয়ে 'জাতীয়
স্বার্থকে' বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে: বিশেষজ্ঞ
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপান ১ অক্টোবর বিদেশিদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতির (পার্মানেন্ট
রেসিডেন্সি) জন্য নির্দেশিকা সংশোধন করেছে এবং বার্ষিক আয়ের মানদণ্ডের মতো
শর্তগুলো আরও কঠোর করেছে।
২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে,
স্থায়ী বসবাসের যোগ্য হতে হলে আবেদনকারীদের সাধারণত পাঁচ বছরের বসবাসের
শর্ত পূরণ করতে হবে। কোকুশিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিবাসন নীতি বিষয়ক অধ্যাপক
এরিকো সুজুকি এই পরিবর্তনের সমালোচনা করে বলেছেন যে, এর ফলে মানবাধিকারের
চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে এবং জাপানে বসবাসরত বিদেশিদের
জন্য একটি স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদী জীবনযাপনের পরিকল্পনা করা কঠিন হয়ে পড়তে
পারে।
বকেয়া করের মতো সমস্যা মোকাবিলার উপায় হিসেবে
স্থায়ী বসবাসের সুযোগ সীমিত করার বিষয়টি নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন; তাঁর
মতে, জাপানি নাগরিকদের ক্ষেত্রে বকেয়া আদায়ের জন্য যেসব আইনি বা প্রশাসনিক
ব্যবস্থা নেওয়া হয়, বিদেশিদের ক্ষেত্রেও কর্তৃপক্ষের উচিত সেই একই পদ্ধতি
অনুসরণ করা।
সুজুকি সতর্ক করে বলেছেন যে, কঠোর শর্তাবলি বিদেশি
কর্মীদের কাছে জাপানের আকর্ষণ কমিয়ে দিতে পারে এবং যারা এই দেশে নিজেদের
ভবিষ্যৎ গড়তে চান, তারা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
তিনি
জোর দিয়ে বলেন যে, বিদেশি বাসিন্দারা কেবল শ্রমশক্তিতেই নয়, বরং ভোক্তা
হিসেবে ব্যয় এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
এছাড়া তিনি দ্বিতীয় বা পরবর্তী প্রজন্মের বিদেশি
বাসিন্দাদের—যার মধ্যে জাপানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এমন শিশুরাও অন্তর্ভুক্ত
যারা দেশটির নাগরিকত্ব ব্যবস্থার কারণে বিদেশি নাগরিক হিসেবেই থেকে যায় —
এজন্য তিনি স্থায়ী বসবাসের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি
এমন একটি আবাসন বা বসবাসের কাঠামোর আহ্বান জানান যা সমাজে একত্রে বসবাসকারী
জাপানি নাগরিক এবং বিদেশি বাসিন্দা—উভয়ের অধিকার ও কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনা
করে। জাপান অন ফোকাস।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|