|
স্বেচ্ছায় জাপান ছাড়তে গিয়ে অবৈধভাবে থাকা শ্রীলঙ্কান নাগরিকের কারাবাস
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
১৪ই জুলাই, নবীন নামের এক
শ্রীলঙ্কান ব্যক্তি প্রয়োজনীয় নথিপত্রের একটি ফোল্ডার নিয়ে টোকিও আঞ্চলিক
অভিবাসন দপ্তরে (Tokyo Regional Immigration Bureau) উপস্থিত হন।
জাপান থেকে নিজের চলে
যাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই তিনি সেখানে গিয়েছিলেন।
২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাস
থেকে—অর্থাৎ প্রায় ২০ বছর ধরে—তিনি কোনো বৈধ ভিসা ছাড়াই তিনি জাপানে বসবাস
করছিলেন।
জুন মাসে তিনি অভিবাসন কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন
যে তিনি স্বেচ্ছায় দেশ ছাড়তে চান; তখন দপ্তরের এক কর্মী তাঁকে প্রয়োজনীয়
নথিপত্রের তালিকা সম্বলিত একটি হলুদ রঙের কাগজ ধরিয়ে দেন।
তিনি শহরের বিভিন্ন দপ্তরে
ঘুরে সেই সব নথিপত্র সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তী সাক্ষাতের সময় সেগুলো সঙ্গে
নিয়ে যান।
কিন্তু তাঁর দেশত্যাগের প্রক্রিয়া শুরু করার
পরিবর্তে কর্মকর্তারা তাঁকে জানান যে, তাঁর সাময়িক মুক্তির মেয়াদ আর বাড়ানো
হয়নি।
এরপর তাঁকে জানানো হয় যে, তাঁর ওপর নজরদারি বা
তদারকির ব্যবস্থাটিও মঞ্জুর করা হয়নি এবং তাঁকে সেই রাতটি দপ্তরেই কাটাতে
হবে।
নবীন জানান, এক কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন:
"আপনি তো বলেছিলেন দেশে ফিরে যাবেন? সেই সিদ্ধান্তটি কবে নেওয়া হয়েছিল?"
তাঁকে তিন দিন আটকে রাখা হয়
এবং ১৭ই জুলাই নজরদারি বা তদারকির শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়।
এর দুই সপ্তাহ পর, ৩১শে
জুলাই, জাপানের অভিবাসন সেবা সংস্থা অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক তাদের দ্বিতীয়
'মৌলিক পরিকল্পনা' গ্রহণ করে —যার মধ্যে বৈধ মর্যাদা বা স্ট্যাটাসবিহীন
বিদেশিদের স্বেচ্ছায় দেশত্যাগে উৎসাহিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
১লা জানুয়ারি, ২০২৬-এর
হিসাব অনুযায়ী, জাপানে প্রায় ৬৮,০০০ মানুষ কোনো বৈধ মর্যাদা ছাড়াই বসবাস
করছিলেন।
নবীন এখনও দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন; কারণ
স্বেচ্ছায় চলে গেলে হয়তো তিনি পাঁচ বছরের পরিবর্তে মাত্র এক বছরের মধ্যেই
তাঁর স্ত্রীর কাছে ফিরে আসার সুযোগ পেতে পারেন।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|