|
তাকাইচি সরকারের নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য বিদেশী বাসিন্দারা যেন জাপানি
করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কল্যাণ সুবিধার উপর নির্ভর করতে না পারে
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপান ঠিক সেই কাজটিই করল,
যা নিয়ে অধিকাংশ পশ্চিমা সরকার কেবল আলোচনা-ই করে থাকে।
৪ আগস্ট জাপান সরকার ঘোষিত
নতুন পদক্ষেপগুলোর লক্ষ্য হলো এটা নিশ্চিত করা যে, বিদেশি বাসিন্দাদের যেন
কখনোই সরকারি সমাজকল্যাণমূলক ভাতার (welfare benefits) ওপর নির্ভর করতে না
হয়।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি এমন একটি অভিবাসন ব্যবস্থার
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যেখানে জাপানি নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে—এবং
তাঁর সরকার ঠিক সেটাই বাস্তবায়ন করছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী,
স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের আয় জাপানি পরিবারগুলোর গড় আয়ের চেয়ে বেশি
হতে হবে।
পাশাপাশি, তাদের এমন একটি পেনশন পরিকল্পনার হিসাব
দেখাতে হবে যা প্রমাণ করে যে তারা আজীবন নিজেদের ভরণপোষণ নিজেরাই চালাতে
সক্ষম—অর্থাৎ কোনো সরকারি সুরক্ষা বা সহায়তার প্রয়োজন হবে না।
মূল নীতিটি খুবই সহজ: আপনি
যদি স্থায়ীভাবে থাকতে চান, তবে আপনাকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।
জাপানের অবস্থান সবসময়ই এই
যে, সমাজকল্যাণ ব্যবস্থাটি তাদের নাগরিকদের দ্বারা এবং নাগরিকদের জন্যই গড়ে
তোলা হয়েছে।
বিদেশিদের দেওয়া অর্থ সহায়তা ছিল কেবলই একটি
মানবিক পদক্ষেপ—এটি কখনোই তাদের কোনো আইনি অধিকার ছিল না।
অন্যান্য দেশ যখন
সমাজকল্যাণ সুবিধাভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে কেবল বিতর্কই করে যাচ্ছে, জাপান
তখন সমস্যাটি বড় আকার ধারণ করার আগেই নীরবে তার পথ বন্ধ করে দিয়েছে।
বর্তমানে মাত্র ৬৫,০০০
বিদেশি পরিবার এই সহায়তা পাচ্ছে—এবং টোকিও এই অবস্থাই বজায় রাখতে চায়।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|