প্রথমপাতা  

সাম্প্রতিক সংবাদ 

 স্বদেশ

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ কমিউনিটি

লাইফ স্টাইল

এক্সক্লুসিভ

বিনোদন

স্বাস্থ্য

বর্তমানের কথামালা

 শিল্প-সাহিত্য

 প্রবাসপঞ্জী 

আর্কাইভ

যোগাযোগ

 

 

 

 

 

কক্সবাজারের পেকুয়ায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত-১, আহত-১০, আটক-৮

 

চঞ্চল দাশগুপ্ত,কক্সবাজার প্রতিনিধি ।। অক্টোবর ৭, ২০১৫ ।।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় দুর্বৃত্তদের ছোঁড়া গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। এতে স্কুল ছাত্রী ও আ’লীগ নেতাসহ অন্তত ১০জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। জনতার সহায়তায় পুলিশ ঘটনায় জড়িত আটজনকে আটক করেছে। ওই ঘটনার জের ধরে পেকুয়ায় থমথম অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৬ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার সদ ইউনিয়নের ছিরাদিয়া এলাকায়। নিহত ব্যক্তির নাম কফিল উদ্দিন (৩২)। তিনি ওই এলাকার জসিম উদ্দিনের পুত্র বলে জানা গেছে। গুলিবিদ্ধরা হলেন একই এলাকার মৃত.জিন্নাত আলীর পুত্র জয়নাল আবেদীন (৪০), জসিম উদ্দিনের পুত্র মো.বাপ্পি (২২), শাহাব উদ্দিনের পুত্র মোর্শেদ (২৪), রুস্তম আলীর পুত্র মকছুদ (৩৫), জয়নাল আবেদীনের কন্যা পেকুয়া জিএমসির ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্রী জয়নাব বেগম (১৩), স্ত্রী সাজেদা বেগম (২৭), সদর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি সাবেক মেম্বার এম.আযম খান, তার বড় ভাই বাবুল (৫৫) ও শাহজামালের স্ত্রী মিনা আক্তার (২৭)। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ জয়নাল, বাপ্পি, মোর্শেদ, মকছুদ, জয়নাব বেগম, ও সাজেদাকে চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। তবে মকছুদ, জয়নাল ও বাপ্পির অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। আটককৃতরা হলেন ছিরাদিয়া এলাকার মা.আবুল কাসেমের পুত্র কাইসার উদ্দিন, তার ভাই এমরান, সুজা মিয়ার পুত্র আজমগীর, নুরুল আলমের পুত্র আব্দু রহিম, আব্দুল আলীম, ফরিদুল ইসলামের পুত্র তৌহিদ, শামসুল আলমের পুত্র ইউনুস ও সাইফুল ইসলাম। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করেছেন।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে ওই দিন সকালে কাইসারের নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্তরা জসিম উদ্দিনের একটি পুকুর থেকে মাছ লুট করার চেষ্টা চালায়। এ সময় জসিম তাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে দু’পক্ষের মধ্যে ঘটনার সুত্রপাত হয়। ওই ঘটনার জের ধরে কাইসারের নেতৃত্বে ১০/১২জনের একদল অস্ত্রধারীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে কফিল ঘটনাস্থলে প্রান হারান। অপরদিকে ঘটনার পর ঘাতকরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পাশ্ববর্তী উজানটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌং তাদেরকে সুতাচুরায় ধাওয়া দেয়। ওই সময় তারা মাতামুহুরী নদী সাঁতার কেটে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালীর দিকে যাওয়া চেষ্টা করে। নদীর দু’পারে হাজার হাজার জনতা তাদেরকে ঘিরে ফেলে। পালিয়ে যাওয়ার তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে পেকুয়া থানার এ,এস,অই নাজির হোসেন দ্রুত দুর্গম ওই এলাকায় পৌঁছতে সক্ষম হন। এতে স্থানীয়দের সহায়তায় ওই আটজনকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
  

 

WARNING: Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

[প্রথমপাতা]