চীন ও দ.কোরিয়াকে শান্ত রাখতে ইয়াসুকুনি মন্দিরে যাচ্ছেন না আবে
কমিউনিটি রিপোর্ট ।। অক্টোবর ১৪, ২০১৩ ।।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে আলোচিত ইয়াসুকুনি মন্দির সফরে যাচ্ছেন না।
চলতি সপ্তাহে সেখানে শরৎ উৎসব হওয়ার কথা রয়েছে। চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে
সম্পর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি মন্দিরটি সফর বাতিল করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট
সূত্র গুলো জানিয়েছে।
মন্দির সফরের বদলে আবে গত এপ্রিলে বসন্ত উৎসবের মত "মাসাকাকি" পাঠানোর কথা
বিবেচনা করছেন। মাসাকাকি হলো এক ধরণের ঐতিহ্যবাহী গাছ যা দিয়ে শিন্টো
ধর্মের শাস্ত্রীয় আচারানুষ্ঠান পালন করা হয়।
মনে করা হচ্ছে, চীন ও দক্ষিণ করিয়াকে শান্ত রাখতেই জাপানি প্রধানমন্ত্রী এ
সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশ দু'টি জাপানের প্রধানমন্ত্রী, ডায়েট সদস্য ও দলীয়
সমর্থকদের মন্দির সফরের তীব্র ভাবে বিরোধীতা করে আসছে।
এ ছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর ইয়াসুকুনি মন্দির সফর প্রতিবেশী দেশ গুলোর সাথে
জাপানের সম্পর্ককে আরো অবনতিশীল করে তুলতে পারে ভেবে জাপানের অন্যমত
মিত্রদেশ আমেরিকাও উদ্বিগ্ন। ধারণা করা হচ্ছে -আবে এ কথাটিও বিবেচনায়
এনেছেন।
ইয়াসুকুনি মন্দিরকে অনেক এশিয়ান দেশই জাপানি সম্রাজ্যবাদের প্রতীক হিসেবে
গন্য করে। মন্দিরে জাপানি সম্রাটের উদ্দেশ্যে আত্মোৎসর্গকারীদের নাম সহ
তাদেরকে বিশেষ ভাবে সম্মানিত করা হয়েছে। ১৮৬৯ সালে চালু হওয়া মন্দিরটির
সম্মানিতের তালিকায় কুকুর, কবুতর ও ঘোড়াও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ১৪ জন অত্যন্ত কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীও
সম্মানিতের তালিকায় রয়েছেন। আর তা নিয়েই দেশ গুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ
করছে।
প্রধানমন্ত্রীর অফিস অবশ্য দাবি করেছে, মিডিয়া যে ভাবে দেখাচ্ছে বাস্তবে
টোকিওর সাথে বেইজিং ও সিউলের সম্পর্ক অতটা খারাপ নয়।
তবে আবে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে যে সংলাপের আহ্বান জানাচ্ছেন, ইয়াসুকুনি
মন্দির সফরে সে উদ্যোগ ভেস্তে যেতে পারে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।
WARNING:
Any unauthorized use
or reproduction of
'Community' content is
strictly prohibited
and constitutes
copyright infringement
liable to legal
action.
[প্রথমপাতা] |