|
বাংলাদেশে প্রচারিত খবর জাপান তিন লক্ষ লোক নেবে — তাকাইচির সরকার নিশ্চিত
করেছে সংখ্যাটা কখনোই পূরণ হচ্ছে না
কমিউনিটি রিপোর্ট ।।
জাপান শ্রম অভিবাসন
সংক্রান্ত একটি তথ্যে সজোরে ব্রেক কষেছে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড়
তুলেছিল।
ঢাকার একজন অধ্যাপক প্রকাশ্যে দাবি করেন যে,
বাংলাদেশ ২০২৯ সালের মধ্যে জাপানে ৩ লক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
ঠিক একই সময়ে, তাকাইচির
সরকার বিপরীত দিকে এগোচ্ছিল। এই সংখ্যাটি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
পশ্চিমা বিশ্বের
অভিবাসন-বিরোধী পেজগুলো সঙ্গে সঙ্গে এটিকে জাপানের একটি আনুষ্ঠানিক
পরিকল্পনা হিসেবে প্রচার করে।
কিন্তু টোকিও এর কাছাকাছি
কোনো কিছুর প্রতিশ্রুতিও দেয়নি।
বাস্তবে, এই সংখ্যাটি
বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই এসেছিল — জাপানের নির্দিষ্ট দক্ষ কর্মী কোটার ৪০%
নিশ্চিত করার আশার ভিত্তিতে।
মোট কর্মী কোটা ৮ লক্ষ ২০
হাজার থেকে কমিয়ে ৮ লক্ষ ৫ হাজার ৭০০ করা হয়।
বাধ্যতামূলক জাপানি ভাষা
পরীক্ষা এখন পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে।
কোটা প্রায় কাছাকাছি চলে
আসায় রেস্তোরাঁ খাতের ভিসা স্থগিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এবং সরকারের ‘জিরো
ইললিগ্যাল ফরেন রেসিডেন্টস’ কৌশলের অধীনে স্বদেশে ফেরৎ পাঠানোর ঘটনা রেকর্ড
উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ সম্প্রসারণের কথা প্রচার করেছিলো। জাপান
দরজা আরও কড়া করে বন্ধ করে দিয়েছে।
উল্লেখ্য সম্প্রতি ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো.
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২০২৯ সালের মধ্যে দেশটি প্রায় ৮ লাখ ২০ হাজার বিদেশি
কর্মী নিয়োগের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার অন্তত ৪০ শতাংশ অর্থাৎ
৩ লাখের বেশি দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে চায় বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ২০৪০ সাল
নাগাদ জাপানে যে ১ কোটি ১০ লাখ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে, সঠিক প্রস্তুতি
থাকলে তার অর্ধেকই বাংলাদেশ থেকে পাঠানো সম্ভব। সরকার এখন ১৬টি খাতে দক্ষ
জনবল তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।
এ ছাড়া ২০২৫ সালের ২৯ মে
তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, জাপানের
কর্তৃপক্ষ এবং ব্যবসায়ীরা দেশের ক্রমবর্ধমান কর্মী ঘাটতি মেটাতে আগামী
পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে কমপক্ষে এক লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা
করেছে।
WARNING:
Any unauthorized use or reproduction of 'Community' content
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to
legal action.
[প্রথমপাতা]
|