[প্রথমপাতা]

 

 

 

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে পার্থ বড়ুয়াঃ
সংগীত-অভিনয়কে কখনো আলাদা করে দেখিনি

কমিউনিটি রিপোর্ট ।।

সংগীত ভুবনে পার্থ বড়ুয়া নতুন কোনো নাম নয়। তার ওপর বর্তমানে যুক্ত হয়েছে অভিনেতার খেতাবটিও। শহরতলির আলো, নিয়ত নিয়তি নিতান্তই, সিনেমা, শেষ দুই দিন, জলকণা, এফএনএফ ও ফিফটি ফিফটি ইত্যাদি নাটকের অভিনেতা পার্থ বড়ুয়া সম্প্রতি কথা বলেন তার নাট্য জগতের নানা ভাবনা নিয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজের আমাদের ঢাকা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : গান ছেড়ে অভিনয়ে এলেন কেন?

পার্থ বড়ুয়া : না, আমি গান ছাড়িনি। গান এবং অভিনয় দুটোই করছি। দুটোর কোনোটিকে আলাদা করে দেখছি না। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। ওইখানে পড়াকালীন গ্রুপ থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সোলসের পুরনো মেম্বার রনি, শিশির দত্ত, নেওয়াজ, মুনির হেলাল আমরা সবাই ছিলাম গ্রুপ থিয়েটারের কর্মী। কালপুরুষ নামে একটা নাট্যদল ছিল তখন। কালপুরুষের প্রথম প্রোডাকশন ছিল মুক্তিযুদ্ধের ওপর। আমি সেখানে প্রথম পারফর্ম করি। এছাড়া অরিন্দম নাটকের বেশকিছু ব্যাকরাউন্ড মিউজিক করেছি আমি। মাঝখানের কয়েক বছর ব্যস্ত ছিলাম আমার ব্যান্ড দল নিয়ে। তাই তখন আর অভিনয় করা হয়নি।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : আমরা আপনাকে গায়ক হিসেবে চিনি। কিন্তু পেশাদার অভিনেতা না হয়েও নিখুঁত অভিনয় করছেন কিভাবে?

পার্থ বড়ুয়া : নিখুঁতভাবে অভিনয় করতে পারি কিনা জানি না। কিন্তু আমি চেষ্টা করি সবকিছু একটু ভালোভাবে করতে। আর আমার এই অভিনয়ের সব কৃতিত্ব নাটকের পরিচালকদের। কারু তারা আমাকে যেভাবে অভিনয় করতে বলেন আমি চেষ্টা করি ওইভাবে অভিনয় করতে।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : আপনার বিপরীতে যারা অভিনয় করেছেন তারা অভিনয়ে আপনাকে কিরকম সহযোগিতা করছেন?

পার্থ বড়ুয়া : শহরতলির আলো নাটকে আমার বিপরীতে নায়িকা ছিল জয়া। এই নাটকে জয়া আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল। একবার এই নাটকের একটি দৃশ্যে ছোট একটি ডায়ালগ দিতে আমার ২৫ বার টেক দিতে হয়েছিল। তারপর জয়া আমাকে মেকআপ রুমে নিয়ে এমনভাবে ডায়ালগটি বুঝিয়ে দিয়েছিল, যা আমার আজো মনে আছে। এমনি করে জয়া, অপিসহ আরো অনেকেই আমাকে অভিনয় করতে সাহায্য করেছে।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : অভিনয়ের ক্ষেত্রে নাটকের কোন বিষয়টির ওপর প্রাধান্য দেন?

পার্থ বড়ুয়া : আমি অভিনয় করার ক্ষেত্রে নাটকের স্ক্রিপ্টের প্রতি বিশেষ প্রাধান্য দেই। কারণ স্ক্রিপ্ট যদি ভালো না হয়, তাহলে দর্শকরা নাটক দেখে মজা পাবে না। যেমন বর্তমানে এনটিভি এবং বাংলাভিশনে প্রচারিত হচ্ছে রেদওয়ান রনির 'এফএনএফ' এবং ইফতেখার আহমেদ ফাহমির পরিচালনায় 'ফিফটি-ফিফটি'। এ দুটি নাটকের স্ক্রিপ্টে অসাধারণ। এ দুটি নাটকে যেমন মজার কিছু বিষয় আছে তেমনি আছে রোমান্টিক কিছু অভিনয়।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : বর্তমানে সোলস-এর কি অবস্থা?

পার্থ বড়ুয়া : আমি অভিনয় করি বলে আমার নিউ অস্তিত্ব্ব সোলসকে ভুলে যায়নি। আমি নিয়মিত কাজ করছি সোলসের সঙ্গে। নতুন অ্যালবামের কাজ শুরু করেছি। এরই মধ্যে কয়েকটি গানের রেকর্ডিং শেষ করেছি। কিন্তু অ্যালবামের নাম এখনো ঠিক করিনি। জুলাই-আগস্টের দিকে অ্যালবামটি বাজরে আসবে বলে আশা করছি।

কমিউনিটি স্কাইনেটজেপি নিউজ : অভিনয় ও গান নিয়ে আপনার ভবিষ্যতের পরিকলনা কি?

পার্থ বড়ুয়া : আমি কতখানি অভিনয় করতে পারছি তা দর্শকরাই বলতে পারবে। অভিনয় নিয়ে আমার বিশেষ্যৎ কোনো ভবিষ্যপরিকলনা নেই, কিন্তু আমার সোলস ব্যান্ডটি নিয়ে অনেক আশা। আর আমরা চেষ্টা করব সোলস এর পক্ষ থেকে সারা জীবন ভালো ভালো গান উপহার দিতে চাই।
 

[প্রথমপাতা]