|
[প্রথমপাতা] |
বৃহত্তর ময়মনসিংহ
সোসাইটির বিজয় দিবস উদযাপন

কমিউনিটি রিপোর্ট ।। ফেব্রুয়ারি ১, ২০১১ ।।
রাহমান মনি ।।
৩৯তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাপানস্থ বৃহত্তর ময়মনসিংহ সোসাইটি ৩০শে
জানুয়ারি কিতা-কু, আকাবানে বুনকা সেন্টার বিভি হলে এক আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তনুশ্রী
গোলদারের পরিচালনা এবং সুখেন ব্রম্মের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত এ,কে,এম, মজিবুর রহমান ভূঁইয়া।
আলোচনা সভা শেষে শিশু-কিশোরদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোররা অংশ
নিয়ে নাচ-গান, আবৃত্তি দর্শকদের উপহার দেন। শিশু-কিশোরদের অনুষ্ঠানটি আয়োজন
করে বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যান সমিতি, জাপান। উপস্থাপনা করেন ববিতা পোদ্দার
এবং পরিচালনায় ছিলেন কামাল উদ্দিন টুলু।
সবশেষে প্রবাসীদের প্রিয় উত্তরণ সাংস্কৃতিক দলের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠান পরিবেশনের কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত সময় সল্পতার কারনে মাত্র ১০
মিনিটে ২/৩টি গান পরিবেশন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি টানতে বাধ্য হন। উত্তরণের
অবশ্য যথেষ্ট প্রস্তুতি থাকলেও দর্শকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার জন্য
ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সময় সল্পতার অন্যতম কারন অনুষ্ঠানের
দেড় ডজন বক্তাকে বক্তৃতা দেবার সুযোগ দেয়া। সাথে মঞ্চে বিপুল সংখ্যক অতিথি
নিশ্চিত করতে গিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে ছোট করতে বাধ্য হন আয়োজকবৃন্দ।
শীতের তীব্রতা সত্বেও দর্শকরা সমাগত হন মূলত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আকর্ষনে।
অনুষ্ঠানের সুদীর্ঘ বক্তৃতা দর্শকদের চরম বিরক্তি সৃষ্টি করে এবং কাউকে
কাউকে বলতে শোনা যায়, এর চাইতে পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া কিম্বা ঘরে বসে
ইন্টারনেটের বিনোদন অনেক বেশি ভালো ছিলো। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ময়মনসিংহ
সোসাইটি একটি আঞ্চলিক সংগঠন হয়ে এত লেজুড়বৃত্তি -যা ভাবাই যায়না।
দর্শকরা মেলা কমিটির প্রধান সমন্নয়কারী পরিচয় দিয়ে আঞ্চলিক সংগঠনের
অনুষ্ঠানে মঞ্চে স্থান দেয়াকে ভালো চোখে দেখেননি। বিরক্ত দর্শকদের অনেককেই
এ সময় অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।
[প্রথমপাতা] |
|